📢 Sponsor post

ফ্রিতে Payoneer মাস্টারকার্ড নিন খুব সহজে

আসসালামু আলাইকুম। কিছুদিন আগে popads নামক একটি ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে মাস্টারকার্ড অর্ডার করা যেত। কিন্তু সেই অফারটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকে...

এশিয়া কাপে সবার ওপরে আল আমিন! যে কারনে…

ভারতের বিপক্ষে আল আমিন হোসেনের শুরুটা হলো দুর্দান্ত। শিখর ধাওয়ান তো আল আমিনের বলটা বুঝতেই পারলেন না—পরিষ্কার বোল্ড! মাত্র ৪ রানেই ভারতের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে বাংলাদেশের পেসারের উল্লাস দেখে কে! দল ৪৫ রানে হেরে যাওয়ায় ম্যাচ শেষে আল আমিনের হাসিটা অবশ্য অটুট থাকেনি মুখে। ।
যদিও সেদিন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছিলেন, কিন্তু সেটা যেন তাঁর কাছে দীর্ঘশ্বাসের নামান্তর! পরদিন যখন টিম হোটেলে দেখা হলো আল আমিনের সঙ্গে, তাঁর বিষণ্ন মুখটা বলছিল, ‘এই উইকেট লইয়া আমি কী করিব?’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও স্বরূপে আল আমিন। আবারও পেলেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। এবার অবশ্য বাংলাদেশ দলের পেসারের হাসিটা মিইয়ে যায়নি। আজ সকালে যখন মুঠোফোনে কথা হলো, তাঁর মুখে তখন বিস্তৃত হাসি। ফোনের ওপার থেকে বেশ বোঝা যাচ্ছে আল আমিনের আকর্ণ হাসিটা, ‘আসলে কত উইকেট পেলাম, তা নিয়ে ভাবি না। সামনে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ আছে। এটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখন ভাবনায় শুধু এটাই।’
এ পর্যন্ত আল আমিন নিয়েছেন ৭ উইকেট, বাংলাদেশের পক্ষে তো বটেই, এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলা দলগুলোর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ। যদিও তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন আরব আমিরাতের মোহাম্মদ নাভিদ, উইকেট ১১টি। ৯ উইকেট নিয়ে এর পর আমিরাত অধিনায়ক আমজাদ জাভেদ। তিনে আছেন আল আমিন। নাভিদ-আমজাদ দুজনই ম্যাচ খেলেছেন তিনটি বেশি।
শুধু এবারের এশিয়া কাপ কেন, টি-টোয়েন্টিতে আল আমিন কতটা ধারাবাহিক আরেকটি পরিসংখ্যানেই প্রমাণ মিলবে। তাঁর টি-টোয়েন্টি অভিষেক ২০১৩ সালের নভেম্বরে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। আল আমিনের অভিষেকের পর বাংলাদেশ যতগুলো টি-টোয়েন্টি খেলেছে, এর মধ্যে সবচেয়ে সফল বোলার তিনি। এই সময়ে ১৬ টি-টোয়েন্টিতে নিয়েছেন ২৭ উইকেট। ১৯ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে এর পর আছে সাকিব আল হাসান। ঘরের মাঠে হওয়া ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দারুণ সফল ছিলেন আল আমিন। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১০ উইকেট ছিল তাঁরই।
এই পরিসংখ্যান তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করলেও আল আমিনের কাছে দলে অবদান রাখাটাই বড়, ‘যত টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ খেলব তত আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আর আমার কাছে উইকেট নেওয়ার চেয়ে দলে অবদান রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ। সব সময় সেটাই করার চেষ্টা করি।’
ছন্দময় আল আমিনের দেখা যদি সামনের ম্যাচগুলোতেও পাওয়া যায়, বাংলাদেশের জন্য বাধা হওয়ার কথা নয় কোনো দলই